খেলা

জিম্বাবুয়েকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়েকে বেশ চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যই ছুড়ে দিলো বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৬৫ রানের পুঁজি পেয়েছে টাইগাররা। আধুনিক ক্রিকেটে বিশাল রান না হলেও পরিসংখ্যান বলছে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে গড় রান ১২৭।

তবে আশানুরূপ শুরু পায়নি বাংলাদেশ। প্রথম ১১ ওভার থেকে ৩ উইকেট হারিয়ে আসে ৭০ রান। থিতু হতে পারেননি টপ অর্ডারের কেউ। লিটন দাস, তানজিদ তামিম বা নাজমুল হোসেন শান্ত সবাই করেছেন হতাশ।

উইকেটে যেন মন বসছিল না লিটনের। শুরু থেকেই করছিলেন হাঁসফাঁস। বল ব্যাটে না আসলেও বারবার তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে যাচ্ছিলেন। তবে তাকে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করাননি মুজারাবানি। চতুর্থ ওভারেই দেখান সাজঘরের পথ।

ব্যর্থতার বৃত্ত তাই আজও ভাঙা হলো না লিটনের। প্রথম দুই ম্যাচের মতোই করেছেন হতাশ। আউট হন ১৫ বলে ১২ রানে। তিনে নেমে শান্ত ফেরেন পরের ওভারেই। সিকান্দার রাজাকে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙেন ৪ বলে ৫ রানে। তাতে ৪.৪ ওভারে ২৯ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তবে পরিস্থিতি সামলে নেয়ার চেষ্টা করেন তাওহীদ হৃদয় ও তানজিম সাকিব। যদিও জুটি বড় হয়নি তাদেরর, ২৬ বলে যোগ করেন ৩১ রান। হৃদয়কে রেখে তামিম ফেরেন থিতু হয়ে, ২২ বলে ২১ রানে। মাদেন্দাকে সীমানায় ক্যাচ দেন তিনি।

Advertisement: 1:50

Close PlayerUnibots.com
তবে জাকের আলিকে সাথে নিয়ে বিপর্যয় সামলে উঠেন হৃদয়। দুজনে গড়েন পঞ্চাশোর্ধ রানের জুটি। জাকের আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও হৃদয় তুলে নেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ফিফটি। ১৬তম ম্যাচে ৩৪ বল খেলে এই মাইলফলকে পৌঁছান তিনি।

তবে ইনিংসটা এরপর আর খুব বেশি বড় করতে পারলেন না হৃদয়। ১৮তম ওভারে ফিফটি হাঁকানো এই ব্যাটার ফেরেন পরের ওভারেই। মুজারাবানির শিকার হবার আগে করেন ৩৭ বলে ৫৭ রান।

তাতে ভাঙে জাকের আলির সাথে তার ৫৮ বলে ৮৭ রানের জুটি। জাকেরও অবশ্য ফেরেন একই ওভারে, এক বল পরেই। ৩৪ বলে ৪৪ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। টসে হেরে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১৪৮ রান।

তবে শেষ ওভারে রিশাদ-মাহমুদউল্লাহ মিলে তিনটা বাউন্ডারি আদায় করে নিলে দেড় শ’ পেরিয়ে ভালো একটা পুঁজি পায় বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ৯ ও রিশাদ অপরাজিত থাকেন ৬ রানে। মুজারাবানি নেন ৩ উইকেট।

Show More

Related Articles

Back to top button